বুধবার, ২৫ জুন, ২০২৫

‘’The Idea’’-- আমাদের জীবনকে পরিচালিত করতে চায় অসংখ্য প্রকারের ‘’দি আইডিয়া’’ গুলি।

 ‘’The Idea’’-- আমাদের জীবনকে পরিচালিত করতে চায় অসংখ্য প্রকারের ‘’দি আইডিয়া’’ গুলি।


‘’The Idea’’-- আমাদের জীবনকে পরিচালিত করতে চায় দি আইডিয়া গুলি।দৈনন্দিন জীবনে আমরা দেখি ক্রিমিনালরাও অনেক অনেক ‘’দি আইডিয়া’’ ধারন করে। তারাও এটা বুঝে, তাদের নিজেদের সাম্রাজ্যে  এসব বুঝেশুনে ও সবটা দেখে নিয়ে পরে তারাও সাবধান হতে পারবে।ফলাফলঃ কি। ফলাফল হল এই সভ্যতা তখন কিছুটা হলেও হালেও পানি পাচ্ছে। কিন্তু এসব ‘’দি আইডিয়া’’ গুলো যতটুকু না স্রস্টার সঙ্গে সম্পর্কের ফসল– তাঁরই সকল ধারাবাহিকতা রাখছে বলে যতটা মনে হয় তার চেয়েও বেশী মনে হবে যে এগুলো আসলে অনেকটাই জীবন ঘনিস্টতার নানা দৈত্ব চয়ন ও আশ্চর্য সব অভিজ্ঞতার ফল। এবং তদুপরী পতিত সম্পর্কের ব্যাপারেও ‘’দি আইডিয়া’’ গুলি ইঙ্গিত দিচ্ছে। 


মানুষ তার জন্মের শুরুতেই দাসত্বের ঘানি টানার কথা নয়। এটাই আমাদের আধুনীক মানুষদের বিশ্বাস।কিন্তু তাহলেও পুরাতন পৃথিবীতে এটাই ছিলো বাস্তবতা। আর স্রস্টা কখনোই যে এসবের সদুত্তর দিতে সক্ষম নন এটাই তখনকার মানুষ বিশ্বাস করতো।দাসত্বের কারনে তাদের বদ্ধমূল ধারনা ছিলো সেটাই। তাই ধারাবাহিক ভাবে জন্ম নিতে থাকে বিভেদের প্রতিকার খুঁজতে থাকা অনুসন্ধানে ব্রতী অনেক অনেক বিশ্লেষনী অন্তর। এবং একসময় প্রকাশ হয় মানুষের স্বাধীনতার ভাষা।যেন ‘’জহুরী যেভাবে জহর চেনে’’ সেই ব্যাপারটাই ধীরে ধীরে উম্মোচিত হল। কিন্তু তবুও, এতদসত্বেও একজন সৃস্টিকর্তাকে এসব ভয়াবহ বিভেদের মধ্যে কোন ধরনের সমান্তরাল প্রস্তাব রাখতে দেখা যায়নি দাসত্বের শৃঙ্গখল মুক্তির এবং তিনিই যে একজন সৃস্টা এটা মেনে নিলেও অধিকতর মানবিক ধারাবাহিকতার প্রচলনে তিনি তবুও ব্যার্থ প্রমানিত হন। এবং এটাই আসল কথা। তাই এতদউদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই সমাজ বিশ্লেষনে অভিজ্ঞ ভবিষৎ প্রনেতাগন একজন ঈশ্বরকে আমাদের সম্মুখে বারংবার অবতার রূপে উপস্থাপন করেন। এবং হাজির হলেই এঁরাই মানবীক ধারাবাহিকতাকে রক্ষা করেছেন দাসত্বের শৃঙ্গখল মুক্তির পক্ষে সাফাই গেয়েছেন আর নিজেরা অতিশয় দুঃখকস্টের সয়ে এসমস্ত ‘’দি আইডিয়া’’ গুলির জন্ম দিয়েছেন।কিন্তু বিধী বম। 


এতকিছু সত্বেও ‘’দি আইডিয়ার’’ সঙ্গে সঙ্গে যে মহান রবের নামটিও যুক্ত রয়েছে বা থাকবে কিনা, কেমনে থাকবে সে প্রশ্নটি সামনে এসেছে-- তাঁকে বিশ্বস্ততার সঙ্গে মেনে নিতে মানুষ ইতঃস্তত করে থাকে।কারন মানুষের সামনে আরো একটি বিশ্লেষনী মতবাদ আছে; যেটা খুব শক্তিশালী হয়ে জীবন ধারনের নানান উপলক্ষ্যকে টেনে নিয়ে যায়-- জীবিকার পথ দেখায় এবং সমাজকেও প্রাগ্রসর করে। তা হল মানুষের ইতিহাস এবং সংস্কৃতি চর্চা। কেননা মানুষ তাদেরই নিজস্ব ইতিহাস ও সংস্কৃতি পর্যবেক্ষনে অধিকতর স্বাচ্ছন্দ বোধ করে বলে দিনকে দিন এটা আজ আরও স্পস্ট হচ্ছে। এভাবে জাতী গোস্টিগুলি পরস্পর একদিকে যেমন সহযোগীতার হাত বাড়ায় অন্যদিকে বানরের মত স্রস্টার ইচ্ছাকে মিথ্যা প্রমান করতে চায় !!! -- অথবা হয়তো অন্ততঃপক্ষে একটি উদাসীন ভূমিকা নিয়ে থাকে। সরলতা ছেড়ে জটিলতা বাড়িয়ে তোলে।


সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫

ওম শান্তি বলা হলেও আসলে কিন্তু দূর্যোগ ও দূর্ভোগ ব্যাতীত শুধু শান্তি কোথাও নাই । মানুষের এই দূর্ভাগ্য কিসের জন্য।

 ওম শান্তি বলা হলেও আসলে কিন্তু দূর্যোগ ও দূর্ভোগ ব্যাতীত শুধু শান্তি কোথাও নাই । মানুষের এই দূর্ভাগ্য কিসের জন্য।


মাথা ঘামানো সম্ভবই না। যত জোর চর্চাই চলুক না কেন মাথাটা ঘামানো খুব মুশকিল। আসলে এখন আর পৃথিবীর কোথাও অপেক্ষায় থাকার মত কোন শান্তি নাই। শান্তি দিতে পারবে এমন কোন কিছুই নাই। বিজ্ঞানের সুযোগ এবং সুবিধাগুলিও বেদখল হয়ে গেছে। যাদের হাতে গেছে তারা নানামুখি তৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। এমন সব তৎপরতা যে সাধারন মানুষরা আর কেহই সাধারন নাই কোথাও। অসাধারন সব চর্চা করছে তারা। অথচ সাধারন এইসব মানুষেরা ছিলো অনুকরনপ্রবন। এমনকি মৃত ব্যাক্তিকে তার কবরের মধ্যেও অনুকরনীয় মনে করতো তারা, পীর পয়গম্বর হিসাবে সন্মান করতো। অথচ পীর পয়গম্বরদের ভাবনার সীমানা পৃথিবীর বাইরে।বিশ্বাসের। তার পরেও কথা হল এই যে তাদের ক্ষমতাও ছিল এখনকার বড় বড় লোকদের তুলনা করলে নেক সীমিত। কিন্তু মানুষ ক্রমান্বয়ে বিশ্বাস করছে।এযুগে এই বিষয়টা এই শ্রেনী একযোগে চর্চায় ঢুকিয়ে নিয়েছে। এদের ব্ল্যাকমেইলিং এর পাল্লায় আছে বহুকিছুই। এভাবে তারা একটি অস্বস্তিকর সত্যের মুখোমুখি দাড়িয়ে আছে কিন্তু তারা তবু সত্য স্বীকারে বাধা দিয়ে থাকে। শুধু স্বার্থ হাসিলের জন্য যেন এরা সময়ের ইচ্ছেমাফিক সদ্ব্যাবহার করছে।


বিউটি বা সৌন্দর্যের ধারনা অস্থির পৃথিবীতে কোনদিনই স্থিতিশীল নয়।আজকে যৌবনে যা কিছু সুন্দর কয়দিন বাদেই কুৎসিৎ হয় সেই রূপ। মুই কি হনুমান রে !! তবে কিছুটা দন্দ্ব থাকে সৌন্দর্যের প্রশ্নে একথাও সত্য।সবাই না হলেও কেউ কেউ অতঃপর দম্ভ করে সৌন্দর্যের দাবীদার হয়।যা খুশী তাই করার লাইসেন্স নিজেরাই তারা নিয়ে নেয়--কৃতদাস শ্রেনীর মানুষের কাছ থেকে নেয় অনুমোদনও। একপ্রকার দখলে নেয় অনুমতি ও মানুষের কাছ থেকে কেড়ে নেয় নিজেদের সৌন্দর্যের দাবীগুলি।এসব আচরন কতটা যৌক্তিক আর কতটুকুইবা বিজ্ঞানসম্মত? এছাড়া মানুষ অনেক বিকল্প পথের সন্ধান করেও থাকে তাদের কাল্টভিত্তিক বিবিধ সৌন্দর্য্য চর্চার জন্য।তৎন্মধ্যে প্রাথমিক বিষয়টা হচ্ছে বিধাতার প্রশংসা করা।কিন্তু ভবি তবুও অনেকের ক্ষেত্রেই শুধু বিধাতার জন্য নির্দিস্ট কিছু প্রশংসায় ভুলবে না। তারা খুঁজবে তিনি কোথায় আছেন লুকিয়ে সৌন্দর্যের প্রতিমূর্তী হয়ে।  

নিজেদের ব্যার্থ সৌন্দর্য্যের অনুসন্ধান যখন কিছুটা কুৎসিত অবস্থার হিসেবে ঢুকেই যাচ্ছে বা যাবে এমনটা মনে হলেই খোঁজাখুঁজির এইসমস্ত ক্যান্সার মোকাবেলার আর কোন পথ থাকে না। তখনতো মাংসল জীব মাত্র আবার আইবো বলে পাশ কেটে যায়।আর আত্মহত্যায় প্রলুব্ধ করে তাঁহারই নামে।আসলে নারীদের সৌন্দর্যের উৎসকে ভিত্তি ধরে পুরুষরাই ব্যাতিক্রমি উপায়ে এইধরনের সৌন্দর্যের পুজারী হয়ে উঠেছে।এখানে নারীরা শুধুই উপলক্ষ হয়ে থাকে।সময়ের একফোঁড় হয়ে। অনেককেই আরো কিছুটা বেড়ে গিয়ে আগুনে ঘৃতাহুতি দিতে ব্যাস্ত হতে দেখা যায়।তাদের এসব অধিকার চর্চা তারা মূর্খ জনতার চোখের উপরে বসেই করে থাকে। 

অবতারদের শক্তি খুব সীমিত হলেও জীবিকার ভেতর দিয়ে অসংখ্য মানুষের জীবনে প্রাথমিক শৃঙ্গখলা ফেরাতে এবং মহামূল্যবান শান্তি আনতে স্বল্প ক্ষমতার মানব হয়েও তাঁরাই খোদার রাজ্যের খবর  জানিয়েছেন।এই মহামানবেরা পৃথিবীতেই সফলতা কি সেটাওতো দেখিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু আমরা জানি অতীত অসম্ভব ক্ষমতাশালী রাজা বাদশাহরাও পরস্পর যুদ্ধবিগ্রহে কেবলই ধ্বংস হয়েছেন। তাঁরা কেহই সসন্মানে পৃথিবীতে টিকে থাকতে পারেননি। তবে কি এরা কেহই মানুষ নন, কিংবা ছিলো হয়ত কোন খোঁজাখুঁজি করতে থাকা শয়তান!!


সোমবার, ২ জুন, ২০২৫

মানুষ কেন স্বপ্ন দেখে।কেন অনেক মানুষ একত্রে স্বপ্ন দেখে।

 মানুষ কেন স্বপ্ন দেখে।কেন অনেক মানুষ একত্রে স্বপ্ন দেখে।কিন্তু কেউই তবু অবাক হয় না। 


মানুষ স্বপ্ন দেখে কারন সে স্বপ্ন দেখতে ভালবাসে। আমাদের চারদিকে আমরা যা কিছুই দেখি না কিছু তার সবই প্রত্যেক মানুষের জন্য সত্য নয় তবুও কিন্তু এসবই আমাদের জীবন জীবিকার আচরনের বিবিধ সত্য। আমরা দৈনন্দিন জীবনে এসব পরাবাস্তব নিয়ে কথা বলি আর নিজেদের জীবনের স্বপ্ন এবং স্বাদ আহ্লাদ মিটাতে তৎপর হই বাস্তবায়ন করতে কাজ করি। প্রত্যেক মানুষই নিজ জীবনের সত্য নয় এইসব পরাবাস্তবতায় স্বপ্ন দেখে হোক সে মানুষটি বুদ্ধিমান মানুষ অথবা একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিন্তু স্বপ্ন সে দেখবেই। কেননা পরাবাস্তবতায় স্বপ্ন দেখা ছাড়া সামনের জীবনটা অর্থহীন হয়ে পড়বে।আমাদের জীবনের নানা প্রকারের দ্বিমুখী আচরনের কোন সীমা নাই। একমাত্র  ভবিষৎ এর স্বপ্ন দেখার মধ্যেই একটি ঐক্যতান তৈরী হয় যেখানে মানুষের প্রতি মানুষের সহনশীলতা এবং গ্রহনযোগ্যতার মান বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হতে দেখা যায়। স্বপ্ন হচ্ছে নিশ্চয়তার প্রতীক। উন্নয়নের জন্য স্বপ্ন মাথায় থাকলে পরে এটাই তখন সমাজের মধ্যে দৃশ্যমান হতে থাকবে। নানান ব্যাবসা বানিজ্যের প্রসার হবে এবং যে কোন সাময়িক সিদ্ধান্ত কিংবা হটকারিতা থেকে দূরে থেকে সমাজের মধ্যে শান্তি আর শৃঙ্গ্খলা স্থাপিত হয়। কিন্তু স্বপ্ন সবার ক্ষেত্রেই একরকম হবে এমনটা নয়। স্থানীয় লোকেদের স্বপ্ন বিশ্ববাসীর স্বপ্নের মত একরকম হবে না।কারন স্থানীয় সমস্যাগুলিকে সরাসরি এড্রেস করা যায়। অন্যদিকে বিশ্ববাসীর স্বপ্ন থাকে গ্রহন এবং বর্জনের উপর। যেটা হল জীবন ও জীবকার উপর প্রভাব বিস্তার করার মাধ্যমে মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি করার উপলক্ষে কোন বস্তুবাদী ধ্যানধারনার গ্রহন এবং বর্জন করার স্বপ্ন।এক্ষেত্রে উদাহরন হল রাস্ট্রিয় উন্নয়নের জন্য দৃশ্যমান বাস্তবতাকে ধারন করে নিয়ে সকল ধরনের পরাবাস্তবতাকে অনুমান।


স্বপ্নবাজ মানুষেরা বহু পুরাতন কাল থেকেই স্বপ্ন দেখতে অভ্যস্থ। তাদের বর্তমানের অত্যাধুনিক জীবনও কখনোই স্বপ্নমুক্ত নয়। বরং এখানে আমাদের আধুনিকতায় এখন একটি সংঘর্ষের সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে নতুন স্বপ্নবাজদের সঙ্গে পুরাতন স্বপ্নের কান্ডারীদেরকে ঘিরে। এটা গড়ে উঠেছে ডাকাতীর যুগ পরবর্তি সমাজের উত্তরনের ভিতর দিয়ে।একসময় সভ্যতার সন্ধিক্ষনে ডাকাতদের পরাক্রম ছিলো এটা একটি ঐতিহাসিক সত্য। সেই পরিস্থিতির উত্তরন হওয়ার ফলে এখন বুদ্ধিমান ও বুদ্ধিপ্রতিন্ধী উভয় ধরনের মানুষই সভ্য পৃথিবীতে স্বপ্ন দেখার অধিকারটি লাভ করলো। ‘’আমড়া গাছের ঝোঁপের ভিতর মৌমাছিদের বাসা, মাঝখানে তার প্রকান্ড এক চাক রয়েছে খাসা’’। মানব সমাজের বিকাশের কোন এক সন্ধিক্ষনে ডাকাতির প্রবনতা অনেক বেশী ছিলো।অনেকের মধ্যেই বড় হয়ে উঠার একটি দ্বিমূখী প্রবনতা একসময় খুবই প্রবল হয়ে উঠেছিলো যে এটাকে ঠেকানোর কোন কার্যকরী উপায়ের সন্ধান তখন পাওয়া যেত না। ওই সময়টুকুতে ডাকাতদের দৌরাত্ব্যও রবারি বৃদ্ধি পায়।এই উপমহাদেশেও ''ঠগী'' নামক একটি ডাকাত শ্রেনীর কথা জানতে পারা যায়। 


‘’ওঅ ওঅ জা’নে জানা, ঢুঁডে তেরী দিওয়ানা, স্বপ্নমে জো আয়া, আ’না জিন্দেগীমে আনা সনম’’। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখা ভালো না এটা সবাই জানে। এমন স্বপ্ন দেখতে হয় যার মধ্যে বাস্তবতার ছোঁয়া রয়েছে তেমনি আছে অন্যদের প্রতি সহমর্মিতাও। একটি প্রাগ্রসর সমাজ বিনির্মানে বাস্তবতার ছোঁয়া ও মানুষের প্রতি মানুষের সহমর্মীতা থাকা, এসবের কোন জুড়ি নাই। এজন্য সকলের জীবনে স্বপ্ন মুক্তি পাক এটা সবারই কাম্য হওয়া উচিৎ।সবর জানা উচিৎ। এই জগতের সবাই সুখী হয় না।সুখের সময় ভাগ বসাতে না পারলেও তবুও কিন্তু অন্যের দুঃখের প্রত্যক্ষ ভাগীদার হতে এসময়ে অনেককেই দেখা যাবে।এটাই হচ্ছে ভালো থাকার এবং ভালো রাখার স্বপ্ন দেখা। এভাবেই যখন অন্যকে ভিক্ষা করতে দেখেও যারা ঘৃনা না করে বরং নিজের জীবনের সুখকে তারা দুঃখী মানুষের সাথে তুলনায় কিছুটা হলেও বৈধতা দান করে যাচ্ছে এরাই হল প্রকৃত স্বপ্নবাজ মানুষ। শত হোক নিজেকে এভাবে অন্যের আয়নায় দেখার মত অন্য কোন বিকল্প চিন্তা কিংবা বস্তু আজ পর্যন্ত কোন ধর্মের আলোকেই সুস্পস্টতা পায়নি। কোন ধর্ম না হলেও এটাই হয়ত হবে সেই প্রত্যাশিত শান্তির বার্তা। তাই পৃথিবীর বুকে বাস করে অন্যদের স্বপ্নকে নিয়ে ছিনিমিনি না খেলে তাকে যথোপযুক্ত সন্মান প্রদর্শন করা সবারই কর্তব্য। অপার্থীব উপায়ে একটি স্বপ্ন দেখবার অধিকার কেউই কাউকে দিতে পারে না এটা শুধুমাত্র দর্শনশাস্ত্রেরই সীমাবদ্ধ বিষয়। কেননা দর্শনশাস্ত্র কখনোই প্রকৃত উপলক্ষকে ঘিরে ও তাকে নিয়ে চর্চা চালাতে পারবে না। তাতে কোন প্রকারের জ্ঞানের বিস্তারও হবে না। সেটা হবে কেবলই দার্শনীকের সীমাবদ্ধতা। কারন প্রকৃতপক্ষে মানুষ সবাই জ্ঞানের কাঙ্গাল নয় অথচ অন্যভাবে দেখলে পরে বোঝা যায় যে সব মানুষই কমবেশী স্বপ্নবাজ।


একজন স্বৈরাচারের যখন পতন হয় তখন বিপরীতে সচেতন জনগনের অংশগ্রহনমূলক তৎপরতার বাইরেও একটি অংশিদার গ্রুপ রয়েছে ‘বলে মনে হয়’ যারা হল এসবকিছুরই নিরব দর্শক।স্বৈরতন্ত্র কোন বিভেদমূলক উষ্মা নয় স্বৈরতন্ত্র হচ্ছে আরো সুনির্দিস্ট কিছু পরিচিত আচরন। যেখানে আবশ্যকীয়ভাবে কিছু তন্ত্র মন্ত্রের তকমা আঁটা থাকবেই।দীর্ঘ সময়ের পাশকাটানো অতীবাহিত হয়ে গেলেও একসময় এসব তন্ত্রমন্ত্রের জারীজুরি অবশেষে ধরা পড়ে যায়।যার ফলশ্রুতী হল স্বৈরতন্ত্রের আত্মপ্রকাশ।একটি স্বৈরতন্ত্রে ‘’ইন্সটিটিউশানাইজেশান এর সুযোগ’’ গ্রহন অথবা ‘’রাজনৈতীক প্রতিহিংসার শীকার’’ এই দুইটি ‘’বায়বীয়’’ অধ্যয়ের পুঙ্গখানুপূঙ্গখ পর্যালোচনায় থাকবেই। কারন বৃটিশ কলোনিয়ালাইজেশন শুধু ‘’কিছু ডাকাতের’’ কার্যক্রম নয়, সেখানে সামাজিক ভাবেই রাজতন্ত্র ভালোভাবে প্রতিষ্ঠিত আছে। ভারতীয় ‘’জনতা’’ পার্টি।


শনিবার, ৩১ মে, ২০২৫

Consequential বিষয়ক

 যে কোন ঘটনা যদি ঘটতেই থাকে কিন্তু পদার্থ বিজ্ঞানের মাধ্যমে তার সমাধান খুঁজে না পাওয়া যায় তখন সেটাকে কনসেক্যুয়েন্সিয়াল ঘটনা বলা চলে। মানুষের মধ্যে কিছু অদ্ভূত আচরন রয়েছে যার ব্যাখ্যা মানুষ জানেনা অথচ কেবল শিক্ষা গ্রহনের আপাতঃ সাফল্যের চিত্রে এসব আচরনের অসারত্ব ধরা পড়ে না বরং ঢাকা পড়ে যায়।কেবল সংস্কৃতির চর্চার ভিতর দিয়ে একটি অগ্রগামী জীবন ব্যাবস্থাকে সমাজে গ্রহনযোগ্যতার মাপকাঠিতেই এর ভবিষৎটি নির্ধারিত করা হয়।উন্নত জীবন ব্যাবস্থা বলতে সামগ্রিক অর্থে কি বুঝায় সাধারনতঃ বিষয়টি সম্বন্ধে ধারনা অর্থনীতির মানদন্ডের সাথে উল্টোভাবে reciprocal সম্পর্কিত হয়। সুতরাং অগ্রগামী জীবন ব্যাবস্থা হলেও অর্থনীতির ধোঁয়াসার কারন দেখিয়ে তার রাস্ট্রিয় অথবা সামাজিক ব্যাপক গ্রহনযোগ্যতার কারনগুলিকে বিশ্লেষন করার ব্যাবস্থা থাকবে।

আমাদের ইতিহাস কতটা দূষিত হয়েছে আর কেবলমাত্র ভবিষ্যৎমূখী এধরনের শিক্ষাব্যাবস্থা কতটা দূর্বল।

 আমাদের ইতিহাস কতটা দূষিত হয়েছে আর কেবলমাত্র ভবিষ্যৎমূখী এধরনের শিক্ষাব্যাবস্থা কতটা দূর্বল। আমাদের ইতিহাসের নব অধ্যায়গুলি যেন শুধু সংগ্রাম দিয়েই লেখা শুরু হচ্ছে।


আমরা যেটাকে আবিস্কার মনে করি সেটা আসলে আগে থেকেই মানুষের কাছে পরিচিত ছিল।ব্যাপারটা এরকম যে শুধু স্থানীয় মানুষদের কাছে তাদের অঞ্চল দখলে থাকলেও তখনও পুরো সভ্যতার কাছে তারা অজানাই ছিলো। তাদের অঞ্চল নতুন মানুষেরা অজানা অঞ্চল বলে প্রথমবারের মত যেদিন বিশ্বের কাছে পরিচিত করে সেদিন হতেই তাদের ইতিহাস শুরু। এমন হাস্যকর দাবী অনেকেই করে থাকে নানান উপলক্ষকে ঘিরে তাদের দাবি। এজন্যই এটাকেই তারা আবিস্কার বলে চালিয়ে দেয়। এবং এজন্য প্রাচীন ইতিহাসের সঙ্গে আধুনিক আবিস্কারের একটি অলিখিত সংগ্রামের সূচনাও এখান থেকেই শুরু।এর দ্বারা সভ্যতা কতটা সমৃদ্ধ হয়েছে সেটা এখনও দুই দুইটি বিশ্বযুদ্ধের পরেও পরিস্কার হয়নি।তবে সভ্যতার স্বীকৃতির মধ্যে দিয়ে অনেক অজানা ইতিহাসকে আবিস্কারের নামে ও দাসত্বের নামে সবশেষে কলোনিয়ানিজমের মাধ্যমে এভাবেই অনেকবারই খাটো করা হয়েছে। এব্যাপারে আওয়াজ তোলার মানুষও যেন দিন দিনই পূর্বপুরুষদের প্রতি মানুষের অবজ্ঞা এবং সভ্য মানুষের অনীহার কারনে সময়ের প্রবাহে হারিয়েই যেতে বসেছে।


‘’The Idea’’-- আমাদের জীবনকে পরিচালিত করতে চায় অসংখ্য প্রকারের ‘’দি আইডিয়া’’ গুলি।

  ‘’The Idea’’-- আমাদের জীবনকে পরিচালিত করতে চায় অসংখ্য প্রকারের ‘’দি আইডিয়া’’ গুলি। ‘’The Idea’’-- আমাদের জীবনকে পরিচালিত করতে চায় দি আইডিয়...