‘’The Idea’’-- আমাদের জীবনকে পরিচালিত করতে চায় অসংখ্য প্রকারের ‘’দি আইডিয়া’’ গুলি।
‘’The Idea’’-- আমাদের জীবনকে পরিচালিত করতে চায় দি আইডিয়া গুলি।দৈনন্দিন জীবনে আমরা দেখি ক্রিমিনালরাও অনেক অনেক ‘’দি আইডিয়া’’ ধারন করে। তারাও এটা বুঝে, তাদের নিজেদের সাম্রাজ্যে এসব বুঝেশুনে ও সবটা দেখে নিয়ে পরে তারাও সাবধান হতে পারবে।ফলাফলঃ কি। ফলাফল হল এই সভ্যতা তখন কিছুটা হলেও হালেও পানি পাচ্ছে। কিন্তু এসব ‘’দি আইডিয়া’’ গুলো যতটুকু না স্রস্টার সঙ্গে সম্পর্কের ফসল– তাঁরই সকল ধারাবাহিকতা রাখছে বলে যতটা মনে হয় তার চেয়েও বেশী মনে হবে যে এগুলো আসলে অনেকটাই জীবন ঘনিস্টতার নানা দৈত্ব চয়ন ও আশ্চর্য সব অভিজ্ঞতার ফল। এবং তদুপরী পতিত সম্পর্কের ব্যাপারেও ‘’দি আইডিয়া’’ গুলি ইঙ্গিত দিচ্ছে।
মানুষ তার জন্মের শুরুতেই দাসত্বের ঘানি টানার কথা নয়। এটাই আমাদের আধুনীক মানুষদের বিশ্বাস।কিন্তু তাহলেও পুরাতন পৃথিবীতে এটাই ছিলো বাস্তবতা। আর স্রস্টা কখনোই যে এসবের সদুত্তর দিতে সক্ষম নন এটাই তখনকার মানুষ বিশ্বাস করতো।দাসত্বের কারনে তাদের বদ্ধমূল ধারনা ছিলো সেটাই। তাই ধারাবাহিক ভাবে জন্ম নিতে থাকে বিভেদের প্রতিকার খুঁজতে থাকা অনুসন্ধানে ব্রতী অনেক অনেক বিশ্লেষনী অন্তর। এবং একসময় প্রকাশ হয় মানুষের স্বাধীনতার ভাষা।যেন ‘’জহুরী যেভাবে জহর চেনে’’ সেই ব্যাপারটাই ধীরে ধীরে উম্মোচিত হল। কিন্তু তবুও, এতদসত্বেও একজন সৃস্টিকর্তাকে এসব ভয়াবহ বিভেদের মধ্যে কোন ধরনের সমান্তরাল প্রস্তাব রাখতে দেখা যায়নি দাসত্বের শৃঙ্গখল মুক্তির এবং তিনিই যে একজন সৃস্টা এটা মেনে নিলেও অধিকতর মানবিক ধারাবাহিকতার প্রচলনে তিনি তবুও ব্যার্থ প্রমানিত হন। এবং এটাই আসল কথা। তাই এতদউদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই সমাজ বিশ্লেষনে অভিজ্ঞ ভবিষৎ প্রনেতাগন একজন ঈশ্বরকে আমাদের সম্মুখে বারংবার অবতার রূপে উপস্থাপন করেন। এবং হাজির হলেই এঁরাই মানবীক ধারাবাহিকতাকে রক্ষা করেছেন দাসত্বের শৃঙ্গখল মুক্তির পক্ষে সাফাই গেয়েছেন আর নিজেরা অতিশয় দুঃখকস্টের সয়ে এসমস্ত ‘’দি আইডিয়া’’ গুলির জন্ম দিয়েছেন।কিন্তু বিধী বম।
এতকিছু সত্বেও ‘’দি আইডিয়ার’’ সঙ্গে সঙ্গে যে মহান রবের নামটিও যুক্ত রয়েছে বা থাকবে কিনা, কেমনে থাকবে সে প্রশ্নটি সামনে এসেছে-- তাঁকে বিশ্বস্ততার সঙ্গে মেনে নিতে মানুষ ইতঃস্তত করে থাকে।কারন মানুষের সামনে আরো একটি বিশ্লেষনী মতবাদ আছে; যেটা খুব শক্তিশালী হয়ে জীবন ধারনের নানান উপলক্ষ্যকে টেনে নিয়ে যায়-- জীবিকার পথ দেখায় এবং সমাজকেও প্রাগ্রসর করে। তা হল মানুষের ইতিহাস এবং সংস্কৃতি চর্চা। কেননা মানুষ তাদেরই নিজস্ব ইতিহাস ও সংস্কৃতি পর্যবেক্ষনে অধিকতর স্বাচ্ছন্দ বোধ করে বলে দিনকে দিন এটা আজ আরও স্পস্ট হচ্ছে। এভাবে জাতী গোস্টিগুলি পরস্পর একদিকে যেমন সহযোগীতার হাত বাড়ায় অন্যদিকে বানরের মত স্রস্টার ইচ্ছাকে মিথ্যা প্রমান করতে চায় !!! -- অথবা হয়তো অন্ততঃপক্ষে একটি উদাসীন ভূমিকা নিয়ে থাকে। সরলতা ছেড়ে জটিলতা বাড়িয়ে তোলে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন