সোমবার, ২ জুন, ২০২৫

মানুষ কেন স্বপ্ন দেখে।কেন অনেক মানুষ একত্রে স্বপ্ন দেখে।

 মানুষ কেন স্বপ্ন দেখে।কেন অনেক মানুষ একত্রে স্বপ্ন দেখে।কিন্তু কেউই তবু অবাক হয় না। 


মানুষ স্বপ্ন দেখে কারন সে স্বপ্ন দেখতে ভালবাসে। আমাদের চারদিকে আমরা যা কিছুই দেখি না কিছু তার সবই প্রত্যেক মানুষের জন্য সত্য নয় তবুও কিন্তু এসবই আমাদের জীবন জীবিকার আচরনের বিবিধ সত্য। আমরা দৈনন্দিন জীবনে এসব পরাবাস্তব নিয়ে কথা বলি আর নিজেদের জীবনের স্বপ্ন এবং স্বাদ আহ্লাদ মিটাতে তৎপর হই বাস্তবায়ন করতে কাজ করি। প্রত্যেক মানুষই নিজ জীবনের সত্য নয় এইসব পরাবাস্তবতায় স্বপ্ন দেখে হোক সে মানুষটি বুদ্ধিমান মানুষ অথবা একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিন্তু স্বপ্ন সে দেখবেই। কেননা পরাবাস্তবতায় স্বপ্ন দেখা ছাড়া সামনের জীবনটা অর্থহীন হয়ে পড়বে।আমাদের জীবনের নানা প্রকারের দ্বিমুখী আচরনের কোন সীমা নাই। একমাত্র  ভবিষৎ এর স্বপ্ন দেখার মধ্যেই একটি ঐক্যতান তৈরী হয় যেখানে মানুষের প্রতি মানুষের সহনশীলতা এবং গ্রহনযোগ্যতার মান বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হতে দেখা যায়। স্বপ্ন হচ্ছে নিশ্চয়তার প্রতীক। উন্নয়নের জন্য স্বপ্ন মাথায় থাকলে পরে এটাই তখন সমাজের মধ্যে দৃশ্যমান হতে থাকবে। নানান ব্যাবসা বানিজ্যের প্রসার হবে এবং যে কোন সাময়িক সিদ্ধান্ত কিংবা হটকারিতা থেকে দূরে থেকে সমাজের মধ্যে শান্তি আর শৃঙ্গ্খলা স্থাপিত হয়। কিন্তু স্বপ্ন সবার ক্ষেত্রেই একরকম হবে এমনটা নয়। স্থানীয় লোকেদের স্বপ্ন বিশ্ববাসীর স্বপ্নের মত একরকম হবে না।কারন স্থানীয় সমস্যাগুলিকে সরাসরি এড্রেস করা যায়। অন্যদিকে বিশ্ববাসীর স্বপ্ন থাকে গ্রহন এবং বর্জনের উপর। যেটা হল জীবন ও জীবকার উপর প্রভাব বিস্তার করার মাধ্যমে মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি করার উপলক্ষে কোন বস্তুবাদী ধ্যানধারনার গ্রহন এবং বর্জন করার স্বপ্ন।এক্ষেত্রে উদাহরন হল রাস্ট্রিয় উন্নয়নের জন্য দৃশ্যমান বাস্তবতাকে ধারন করে নিয়ে সকল ধরনের পরাবাস্তবতাকে অনুমান।


স্বপ্নবাজ মানুষেরা বহু পুরাতন কাল থেকেই স্বপ্ন দেখতে অভ্যস্থ। তাদের বর্তমানের অত্যাধুনিক জীবনও কখনোই স্বপ্নমুক্ত নয়। বরং এখানে আমাদের আধুনিকতায় এখন একটি সংঘর্ষের সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে নতুন স্বপ্নবাজদের সঙ্গে পুরাতন স্বপ্নের কান্ডারীদেরকে ঘিরে। এটা গড়ে উঠেছে ডাকাতীর যুগ পরবর্তি সমাজের উত্তরনের ভিতর দিয়ে।একসময় সভ্যতার সন্ধিক্ষনে ডাকাতদের পরাক্রম ছিলো এটা একটি ঐতিহাসিক সত্য। সেই পরিস্থিতির উত্তরন হওয়ার ফলে এখন বুদ্ধিমান ও বুদ্ধিপ্রতিন্ধী উভয় ধরনের মানুষই সভ্য পৃথিবীতে স্বপ্ন দেখার অধিকারটি লাভ করলো। ‘’আমড়া গাছের ঝোঁপের ভিতর মৌমাছিদের বাসা, মাঝখানে তার প্রকান্ড এক চাক রয়েছে খাসা’’। মানব সমাজের বিকাশের কোন এক সন্ধিক্ষনে ডাকাতির প্রবনতা অনেক বেশী ছিলো।অনেকের মধ্যেই বড় হয়ে উঠার একটি দ্বিমূখী প্রবনতা একসময় খুবই প্রবল হয়ে উঠেছিলো যে এটাকে ঠেকানোর কোন কার্যকরী উপায়ের সন্ধান তখন পাওয়া যেত না। ওই সময়টুকুতে ডাকাতদের দৌরাত্ব্যও রবারি বৃদ্ধি পায়।এই উপমহাদেশেও ''ঠগী'' নামক একটি ডাকাত শ্রেনীর কথা জানতে পারা যায়। 


‘’ওঅ ওঅ জা’নে জানা, ঢুঁডে তেরী দিওয়ানা, স্বপ্নমে জো আয়া, আ’না জিন্দেগীমে আনা সনম’’। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখা ভালো না এটা সবাই জানে। এমন স্বপ্ন দেখতে হয় যার মধ্যে বাস্তবতার ছোঁয়া রয়েছে তেমনি আছে অন্যদের প্রতি সহমর্মিতাও। একটি প্রাগ্রসর সমাজ বিনির্মানে বাস্তবতার ছোঁয়া ও মানুষের প্রতি মানুষের সহমর্মীতা থাকা, এসবের কোন জুড়ি নাই। এজন্য সকলের জীবনে স্বপ্ন মুক্তি পাক এটা সবারই কাম্য হওয়া উচিৎ।সবর জানা উচিৎ। এই জগতের সবাই সুখী হয় না।সুখের সময় ভাগ বসাতে না পারলেও তবুও কিন্তু অন্যের দুঃখের প্রত্যক্ষ ভাগীদার হতে এসময়ে অনেককেই দেখা যাবে।এটাই হচ্ছে ভালো থাকার এবং ভালো রাখার স্বপ্ন দেখা। এভাবেই যখন অন্যকে ভিক্ষা করতে দেখেও যারা ঘৃনা না করে বরং নিজের জীবনের সুখকে তারা দুঃখী মানুষের সাথে তুলনায় কিছুটা হলেও বৈধতা দান করে যাচ্ছে এরাই হল প্রকৃত স্বপ্নবাজ মানুষ। শত হোক নিজেকে এভাবে অন্যের আয়নায় দেখার মত অন্য কোন বিকল্প চিন্তা কিংবা বস্তু আজ পর্যন্ত কোন ধর্মের আলোকেই সুস্পস্টতা পায়নি। কোন ধর্ম না হলেও এটাই হয়ত হবে সেই প্রত্যাশিত শান্তির বার্তা। তাই পৃথিবীর বুকে বাস করে অন্যদের স্বপ্নকে নিয়ে ছিনিমিনি না খেলে তাকে যথোপযুক্ত সন্মান প্রদর্শন করা সবারই কর্তব্য। অপার্থীব উপায়ে একটি স্বপ্ন দেখবার অধিকার কেউই কাউকে দিতে পারে না এটা শুধুমাত্র দর্শনশাস্ত্রেরই সীমাবদ্ধ বিষয়। কেননা দর্শনশাস্ত্র কখনোই প্রকৃত উপলক্ষকে ঘিরে ও তাকে নিয়ে চর্চা চালাতে পারবে না। তাতে কোন প্রকারের জ্ঞানের বিস্তারও হবে না। সেটা হবে কেবলই দার্শনীকের সীমাবদ্ধতা। কারন প্রকৃতপক্ষে মানুষ সবাই জ্ঞানের কাঙ্গাল নয় অথচ অন্যভাবে দেখলে পরে বোঝা যায় যে সব মানুষই কমবেশী স্বপ্নবাজ।


একজন স্বৈরাচারের যখন পতন হয় তখন বিপরীতে সচেতন জনগনের অংশগ্রহনমূলক তৎপরতার বাইরেও একটি অংশিদার গ্রুপ রয়েছে ‘বলে মনে হয়’ যারা হল এসবকিছুরই নিরব দর্শক।স্বৈরতন্ত্র কোন বিভেদমূলক উষ্মা নয় স্বৈরতন্ত্র হচ্ছে আরো সুনির্দিস্ট কিছু পরিচিত আচরন। যেখানে আবশ্যকীয়ভাবে কিছু তন্ত্র মন্ত্রের তকমা আঁটা থাকবেই।দীর্ঘ সময়ের পাশকাটানো অতীবাহিত হয়ে গেলেও একসময় এসব তন্ত্রমন্ত্রের জারীজুরি অবশেষে ধরা পড়ে যায়।যার ফলশ্রুতী হল স্বৈরতন্ত্রের আত্মপ্রকাশ।একটি স্বৈরতন্ত্রে ‘’ইন্সটিটিউশানাইজেশান এর সুযোগ’’ গ্রহন অথবা ‘’রাজনৈতীক প্রতিহিংসার শীকার’’ এই দুইটি ‘’বায়বীয়’’ অধ্যয়ের পুঙ্গখানুপূঙ্গখ পর্যালোচনায় থাকবেই। কারন বৃটিশ কলোনিয়ালাইজেশন শুধু ‘’কিছু ডাকাতের’’ কার্যক্রম নয়, সেখানে সামাজিক ভাবেই রাজতন্ত্র ভালোভাবে প্রতিষ্ঠিত আছে। ভারতীয় ‘’জনতা’’ পার্টি।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

‘’The Idea’’-- আমাদের জীবনকে পরিচালিত করতে চায় অসংখ্য প্রকারের ‘’দি আইডিয়া’’ গুলি।

  ‘’The Idea’’-- আমাদের জীবনকে পরিচালিত করতে চায় অসংখ্য প্রকারের ‘’দি আইডিয়া’’ গুলি। ‘’The Idea’’-- আমাদের জীবনকে পরিচালিত করতে চায় দি আইডিয়...