সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫

ওম শান্তি বলা হলেও আসলে কিন্তু দূর্যোগ ও দূর্ভোগ ব্যাতীত শুধু শান্তি কোথাও নাই । মানুষের এই দূর্ভাগ্য কিসের জন্য।

 ওম শান্তি বলা হলেও আসলে কিন্তু দূর্যোগ ও দূর্ভোগ ব্যাতীত শুধু শান্তি কোথাও নাই । মানুষের এই দূর্ভাগ্য কিসের জন্য।


মাথা ঘামানো সম্ভবই না। যত জোর চর্চাই চলুক না কেন মাথাটা ঘামানো খুব মুশকিল। আসলে এখন আর পৃথিবীর কোথাও অপেক্ষায় থাকার মত কোন শান্তি নাই। শান্তি দিতে পারবে এমন কোন কিছুই নাই। বিজ্ঞানের সুযোগ এবং সুবিধাগুলিও বেদখল হয়ে গেছে। যাদের হাতে গেছে তারা নানামুখি তৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। এমন সব তৎপরতা যে সাধারন মানুষরা আর কেহই সাধারন নাই কোথাও। অসাধারন সব চর্চা করছে তারা। অথচ সাধারন এইসব মানুষেরা ছিলো অনুকরনপ্রবন। এমনকি মৃত ব্যাক্তিকে তার কবরের মধ্যেও অনুকরনীয় মনে করতো তারা, পীর পয়গম্বর হিসাবে সন্মান করতো। অথচ পীর পয়গম্বরদের ভাবনার সীমানা পৃথিবীর বাইরে।বিশ্বাসের। তার পরেও কথা হল এই যে তাদের ক্ষমতাও ছিল এখনকার বড় বড় লোকদের তুলনা করলে নেক সীমিত। কিন্তু মানুষ ক্রমান্বয়ে বিশ্বাস করছে।এযুগে এই বিষয়টা এই শ্রেনী একযোগে চর্চায় ঢুকিয়ে নিয়েছে। এদের ব্ল্যাকমেইলিং এর পাল্লায় আছে বহুকিছুই। এভাবে তারা একটি অস্বস্তিকর সত্যের মুখোমুখি দাড়িয়ে আছে কিন্তু তারা তবু সত্য স্বীকারে বাধা দিয়ে থাকে। শুধু স্বার্থ হাসিলের জন্য যেন এরা সময়ের ইচ্ছেমাফিক সদ্ব্যাবহার করছে।


বিউটি বা সৌন্দর্যের ধারনা অস্থির পৃথিবীতে কোনদিনই স্থিতিশীল নয়।আজকে যৌবনে যা কিছু সুন্দর কয়দিন বাদেই কুৎসিৎ হয় সেই রূপ। মুই কি হনুমান রে !! তবে কিছুটা দন্দ্ব থাকে সৌন্দর্যের প্রশ্নে একথাও সত্য।সবাই না হলেও কেউ কেউ অতঃপর দম্ভ করে সৌন্দর্যের দাবীদার হয়।যা খুশী তাই করার লাইসেন্স নিজেরাই তারা নিয়ে নেয়--কৃতদাস শ্রেনীর মানুষের কাছ থেকে নেয় অনুমোদনও। একপ্রকার দখলে নেয় অনুমতি ও মানুষের কাছ থেকে কেড়ে নেয় নিজেদের সৌন্দর্যের দাবীগুলি।এসব আচরন কতটা যৌক্তিক আর কতটুকুইবা বিজ্ঞানসম্মত? এছাড়া মানুষ অনেক বিকল্প পথের সন্ধান করেও থাকে তাদের কাল্টভিত্তিক বিবিধ সৌন্দর্য্য চর্চার জন্য।তৎন্মধ্যে প্রাথমিক বিষয়টা হচ্ছে বিধাতার প্রশংসা করা।কিন্তু ভবি তবুও অনেকের ক্ষেত্রেই শুধু বিধাতার জন্য নির্দিস্ট কিছু প্রশংসায় ভুলবে না। তারা খুঁজবে তিনি কোথায় আছেন লুকিয়ে সৌন্দর্যের প্রতিমূর্তী হয়ে।  

নিজেদের ব্যার্থ সৌন্দর্য্যের অনুসন্ধান যখন কিছুটা কুৎসিত অবস্থার হিসেবে ঢুকেই যাচ্ছে বা যাবে এমনটা মনে হলেই খোঁজাখুঁজির এইসমস্ত ক্যান্সার মোকাবেলার আর কোন পথ থাকে না। তখনতো মাংসল জীব মাত্র আবার আইবো বলে পাশ কেটে যায়।আর আত্মহত্যায় প্রলুব্ধ করে তাঁহারই নামে।আসলে নারীদের সৌন্দর্যের উৎসকে ভিত্তি ধরে পুরুষরাই ব্যাতিক্রমি উপায়ে এইধরনের সৌন্দর্যের পুজারী হয়ে উঠেছে।এখানে নারীরা শুধুই উপলক্ষ হয়ে থাকে।সময়ের একফোঁড় হয়ে। অনেককেই আরো কিছুটা বেড়ে গিয়ে আগুনে ঘৃতাহুতি দিতে ব্যাস্ত হতে দেখা যায়।তাদের এসব অধিকার চর্চা তারা মূর্খ জনতার চোখের উপরে বসেই করে থাকে। 

অবতারদের শক্তি খুব সীমিত হলেও জীবিকার ভেতর দিয়ে অসংখ্য মানুষের জীবনে প্রাথমিক শৃঙ্গখলা ফেরাতে এবং মহামূল্যবান শান্তি আনতে স্বল্প ক্ষমতার মানব হয়েও তাঁরাই খোদার রাজ্যের খবর  জানিয়েছেন।এই মহামানবেরা পৃথিবীতেই সফলতা কি সেটাওতো দেখিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু আমরা জানি অতীত অসম্ভব ক্ষমতাশালী রাজা বাদশাহরাও পরস্পর যুদ্ধবিগ্রহে কেবলই ধ্বংস হয়েছেন। তাঁরা কেহই সসন্মানে পৃথিবীতে টিকে থাকতে পারেননি। তবে কি এরা কেহই মানুষ নন, কিংবা ছিলো হয়ত কোন খোঁজাখুঁজি করতে থাকা শয়তান!!


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

‘’The Idea’’-- আমাদের জীবনকে পরিচালিত করতে চায় অসংখ্য প্রকারের ‘’দি আইডিয়া’’ গুলি।

  ‘’The Idea’’-- আমাদের জীবনকে পরিচালিত করতে চায় অসংখ্য প্রকারের ‘’দি আইডিয়া’’ গুলি। ‘’The Idea’’-- আমাদের জীবনকে পরিচালিত করতে চায় দি আইডিয়...